শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩

আশা জাগিয়ে ৭ রানে হারল বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়

অস্ট্রেলিয়ার রান পাহাড় তাড়া করতে গিয়ে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত জয় হাতছাড়া করল

বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে

টাইগারদের। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৯৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯

রান তুলতে সক্ষম হয় তাওহিদ হৃদয়ের দল।

এদিন টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার ম্যাট রেনশর

বিধ্বংসী এক ইনিংসের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অজিরা। রেনশ ৫২ বলে ৮৯

রান করে অপরাজিত থাকেন, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ

ইনিংস। এছাড়া মাঝপথে টিম ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহ

নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ২৭ রান দিয়ে ২

উইকেট শিকার করে সবচেয়ে সফল ছিলেন। তবে অন্য বোলাররা ছিলেন বেশ খরুচে, বিশেষ করে

মোস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভার থেকে ১৮ রান তুলে নেয় অজিরা।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান

তামিম ও সাইফ হাসান। তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফিরলে সাইফ ইনিংসের হাল ধরেন।

তিনি ব্যক্তিগত ৪২ রান করে বিদায় নেওয়ার আগে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে জুটি গড়েন।

পারভেজ ৩৬ রানের একটি কার্যকর ইনিংস খেলে আউট হলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা আলগা

হয়ে যায়। এর আগে সৌম্য সরকার ১৫ রান করে অ্যাডাম জাম্পার শিকার হন।

ম্যাচের শেষ ৪ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। উইকেটে ছিলেন তাওহিদ

হৃদয় ও শামীম পাটোয়ারী। তবে ১৭তম ওভারে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ২

রান আসে এবং শামীম কোনো রান না করেই আউট হলে সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ

মুহূর্তের লড়াই সত্ত্বেও ১৮৯ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। উল্লেখ্য, সিরিজে টিকে

থাকার লক্ষ্যে এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে দুটি পরিবর্তন এনেছিল; শরীফুল ইসলাম ও মেহেদী

হাসানের জায়গায় খেলানো হয়েছিল নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদকে। তবে এই পরিবর্তনগুলো শেষ

পর্যন্ত হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ৪ উইকেটে

হেরেছিল বাংলাদেশ।

পোস্টটি শেয়ার করুন