, ,

বিশ্ব সংগীত দিবসে বর্ণালী ও শ্রাবণের কণ্ঠে নজরুলগীতি

প্রকৃতিতে বর্ষা ঋতুর আগমনের আবহ ধরে রাখতে বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত

হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিশেষ বর্ষার গান। ‘বরষা ঋতু এলো এলো’

শিরোনামের এই জনপ্রিয় নজরুলগীতিটি নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের সামনে নিয়ে এসেছেন দুই

শিল্পী বর্ণালী সরকার ও জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। প্রকৃতিতে সপ্তাহ খানেক আগে বর্ষা

নামার পর শহর ও গ্রামে যখন বৃষ্টিভেজা পরিবেশ বিরাজ করছে, ঠিক তখনই বিশ্ব সংগীত

দিবসকে কেন্দ্র করে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে গানটি অন্তর্জালে অবমুক্ত করা হয়।

নতুন এই সংগীতায়োজনে মূলত কণ্ঠের মাধুর্য এবং সেতারের সুরকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য

দেওয়া হয়েছে। গানটিতে শিল্পী বর্ণালী সরকারের চমৎকার কণ্ঠের পাশাপাশি সেতারের

মূর্ছনা ছড়িয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। এ ছাড়া গানটির আবহকে আরও সমৃদ্ধ করতে

পাখাওয়াজ ও তবলায় সংগত করেছেন রবীন্দ্রনাথ পাল এবং পিয়ানো বাজিয়েছেন কৌশিক আহমেদ

অন্তর। বিশেষ এই গানটির মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি নিখুঁতভাবে

সম্পন্ন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ।

গানটির মুক্তি প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পীরা জানান, সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের

কাছে বিশ্ব সংগীত দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন। বর্ষা যেভাবে প্রকৃতিকে সজীব

ও নতুন রূপ দান করে, ঠিক তেমনি বর্ষার গানও মানুষের মনকে সতেজ করে তোলে। শ্রোতাদের

কাছে বর্ষার এই চিরন্তন আবহকে আরও বেশি জীবন্ত ও হৃদয়গ্রাহী করে তুলতেই এই উদ্যোগ

নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যেই গানের মূল বাণী ও সুরের পাশাপাশি বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী

বাদ্যযন্ত্রের সূক্ষ্ম বিন্যাসকে এখানে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

শিল্পীরা আরও আশা প্রকাশ করেন যে, নজরুল সংগীতের চিরায়ত সুর ও নান্দনিক সৌন্দর্যকে

সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে তৈরি করা এই ভিন্নধর্মী সংগীতায়োজনটি প্রবীণদের পাশাপাশি

নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও সমাদৃত হবে। শাস্ত্রীয় বাদ্যযন্ত্র ও আধুনিক

প্রযুক্তির মিশ্রণে তৈরি ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ গানটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে শ্রোতাদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলতে শুরু করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন