, ,

আন্দোলনে অসুস্থ ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ও

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে

বিশ্রামের জন্য সাময়িকভাবে আন্দোলন থেকে বিরতি নিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দীপকে নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।

দীপকে লেখেছেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে আমার প্রচণ্ড জ্বর ও শরীর ব্যথা হচ্ছে। কোনোমতে

দিন পার করার জন্য আমি ব্যথানাশক ওষুধ খাচ্ছি। আজ যন্তর মন্তরে আমার সাথে দেখা না

হলে আমি দুঃখিত। আমার কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম নিয়ে সুস্থ হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আমি

সন্ধ্যার মধ্যে প্রতিবাদস্থলে ফিরে আসব।’

এদিকে অভিজিৎ দীপকেসহ অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনড় রয়েছেন।

গত বুধবার রাতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিপেটা করে ও কাঁদানে গ্যাসের শেল

ছোঁড়ে। অন্যদিকে পুলিশের অভিযোগ, পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়া ভিড়কে

আটকাতে গেলে তাদের উদ্দেশ্য করে পাথর ও বোতল ছোড়া হয়।

এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নৃশংসতার অভিযোগ তোলেন দীপকে। বিক্ষোভকারীদের প্রতি

পুলিশের আচরণ নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে আন্দোলন নিয়ে নতুন ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মোদি লেখেছেন, ‘আমাদের তরুণদের

কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর

শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে

নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই

অংশ এটি। যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই

ছাড় দেওয়া হবে না।’

প্রসঙ্গত, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে সিজেপির ডাকা

আন্দোলন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে। গত সোমবার সংসদ অভিযানের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেও

দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন ছাত্র-যুবদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের অভিযোগ

তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেন লোকসভার

বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা

গান্ধী ভদ্র, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী জোটের নেতারা। পরে তাদের

আটক করে পুলিশ।

পোস্টটি শেয়ার করুন