বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ খাতের মধ্যে জাহাজ নির্মাণ শিল্প অন্যতম। এই শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে অবদান রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর জন্য দুই হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়, যা খাতের নানা কাজে সহায়তা প্রদান করছে। তবে এই তহবিলের সুফল যথাযথভাবে পেতে ব্যাংক ও অংশীদারদের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ একটি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই সার্কুলারের মাধ্যমে বলা হয়েছে, আবেদন করার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যাতে সকল ব্যাংক এতে অংশ নিতে পারে এবং সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পায়।
গত রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্টের এখবর অনুযায়ী, শিপবিল্ডিং শিল্পের উন্নয়ন, পরিচালনা ও বিকাশের জন্য নির্ধারিত এই পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আগে এর শেষ সময় ছিল ৩০ জুন ২০২৪, যা এখন বাড়িয়ে ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত করা হলো। এর ফলে দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলো এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবে এবং পুনঃঅর্থায়নের সুবিধা নিতে হবে। ব্যাংকগুলোকে এই সুবিধা পেতে বিআরপিডি-৩ শাখার সাথে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। অতিরিক্তভাবে, ব্যাংকগুলো তাদের নিজের ক্রেডিট নীতিমালা ও ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ঋণ অনুমোদন করতে পারবে। ঋণ অনুমোদনের পূর্বে অবশ্য ব্যাংকগুলোকে বিআরপিডি-৩ থেকে অনাপত্তি নিতে হবে এবং প্রকল্পের সময়সূচি ও বাস্তবায়নের পূর্ণ পরিকল্পনা দাখিল করতে হবে। প্রকল্পের অগ্রগতি অনুযায়ী ধাপে ধাপে ঋণ বিতরণ সম্পন্ন হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়নের দাবি জানানো যাবে। ইসলামিক ব্যাংক ও শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোও এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ২০২২ সালের মূল সার্কুলার শর্তাবলী অব্যাহত থাকবে।





