ইরানের ওপর ইংরেজি ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরে প্রথমবারের মতো নিজের ভিডিও বার্তায় উদ্যোগী হয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি ইরানের সাধারণ জনগণের কাছে একটি স্বপ্নের পরিবর্তনের আহ্বান জানান, যেখানে তারা স্বেচ্ছায় নিজের স্বৈরাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরান গড়তে পারে। নেতানিয়াহু বলেন, ‘এই যৌথ সামরিক পদক্ষেপ ইরানের সাহসী জনগণের জন্য তাদের নিজস্ব ভবিষ্যত নির্ধারণের সুযোগ তৈরি করে দেবে।’ উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইরানের সাথে ১২ দিনের সংঘর্ষের সময়ও তিনি ইরানি জনগণকে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জেগে ওঠার জন্য আহ্বান করেছিলেন। এবারকার ভিডিও বার্তায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ঐতিহাসিক নেতৃত্ব’ এর জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এই খুনি ও সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের অনুমতি দেওয়া হবে না, কারণ এর মাধ্যমে তারা পুরো মানবজাতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। নেতানিয়াহুর এই স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতকে কেবল সামরিক আক্রমণে সীমাবদ্ধ রাখেনি বরং সরাসরি তেহরানের শাসন ক্ষমতা উল্টে দেওয়ার লড়াই হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, ইরান এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় তৎপরতা শুরু করছে।





