মঙ্গলবার, ১০ই মার্চ, ২০২৬, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২

জ্বালানিতে সংকট নেই, তাই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নেই: প্রতিমন্ত্রী

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। ফলে আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্তও নেই বলে

জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে তেল সংক্রান্ত সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে

আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। মার্চ মাসে কোনো

সমস্যা দেখা দেয়নি এবং জনগণের মধ্যে যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে তা শিগগিরই কেটে

যাবে। সরকার ইতোমধ্যে এপ্রিল ও মে মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয়

প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিকল্প উৎস হিসেবে আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল আমদানির

বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে তেল সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে ভারত সরকারকে অনানুষ্ঠানিকভাবে

অনুরোধ করা হয়েছে। ভারতের সাথে পাইপলাইন আছে। ১৫ হাজার টন প্রতি মাসে নিয়মিত আসে।

সুযোগ থাকলে বাড়তি যেন দেয় সেটা অনানুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

পেট্রোল ও অকটেন পুরোপুরি আমদানিনির্ভর না হলেও কিছু এলাকায় অযৌক্তিকভাবে পাম্পে

দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।

অসাধু চক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান

প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে জনদুর্ভোগ এড়াতে

সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এদিকে রাইড শেয়ার চালকদের সুবিধার্থে আজ থেকে প্রতিদিন ৫ লিটার করে তেল সরবরাহের

সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বাংলাদেশে অবস্থিত কূটনীতিক মিশনের যানবাহনে জ্বালানি তেল গ্রহণের সীমা তুলে

দেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক অনুরোধের প্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত

নেয়া হচ্ছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে।

অন্যদিকে, মোটরসাইকেলে তেল প্রদানের সীমা ২ লিটার থেকে বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে।

অন্যান্য যানবাহনের রেশনিংয়ের পরিমাণের বিষয়ে রিভিউয়ের চিন্তা চলছে বলে জানিয়েছে

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি সূত্র।

সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে দৈনিক ৯০২২ টন ডিজেল, পেট্রোল ১০৭০ টন এবং অকটেন ৯১৩ টন

সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন