, ,

পতেঙ্গা টার্মিনালে যুক্ত হলো ৪ অত্যাধুনিক গ্যান্ট্রি ক্রেন, বাড়বে সক্ষমতা

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) পণ্য ওঠানামার সক্ষমতা

বৃদ্ধিতে যুক্ত হলো চারটি অত্যাধুনিক কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন (কিউজিসি)। গত শুক্রবার

সন্ধ্যায় এই বিশালাকার ক্রেনগুলো বহনকারী বিশেষায়িত জাহাজ ‘এমভি ল্যান হাই হং ইউন’

পিসিটি জেটিতে এসে পৌঁছায়। পিসিটি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান

রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি) প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে চীনের সানি

মেরিন হেভি ইন্ডাস্ট্রি থেকে এই আধুনিক সরঞ্জামগুলো সংগ্রহ করেছে।

জাহাজের নিরাপদ আগমন নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব (অতিরিক্ত

দায়িত্ব) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, “জাহাজটি নিরাপদে জেটিতে ভেড়ানো হয়েছে। এ কাজে

বন্দরের দুইজন পাইলট ও তিনটি টাগবোট দায়িত্ব পালন করেছেন।” ক্রেনগুলো জাহাজ থেকে

খালাসের সময় নিরাপত্তার স্বার্থে কর্ণফুলী নদীর ওই এলাকায় সকল প্রকার বাণিজ্যিক ও

মাছ ধরার নৌযান চলাচলে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কিউ গ্যান্ট্রি ক্রেন ব্যবহারের মাধ্যমে কনটেইনারবাহী জাহাজ থেকে

অত্যন্ত দ্রুত ও নিরাপদে পণ্য খালাস করা সম্ভব। বিশেষ করে যেসব জাহাজে নিজস্ব ক্রেন

নেই, সেগুলোর পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। নতুন এই

চারটি ক্রেন পুরোদমে চালু হলে পিসিটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বর্তমান

২ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস থেকে বেড়ে সরাসরি ৬ লাখ টিইইউএসে উন্নীত হবে। এর ফলে বন্দরে

জাহাজের গড় অবস্থানকাল বা অপেক্ষার সময় যেমন কমবে, তেমনি লজিস্টিক পরিচালনা ব্যয়ও

উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই ক্রেনগুলো সংগ্রহের জন্য চুক্তি

স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় পর তা বন্দরে পৌঁছাল। এর আগে

আরএসজিটি প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে ১৪টি রাবার টায়ার্ড

গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেন সংগ্রহ করেছিল। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই পিসিটি ১

লাখ ৪৩ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন