বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানান, যদি তার দল ভবিষ্যতে সরকার গঠন করে, তারা চার কোটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে বিশেষ করে পরিবারের প্রধান নারীকে অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়া হবে, যাতে নারীর ক্ষমতায়ন আরও শক্তিশালী হয়। পাশাপাশি কৃষি খাতের উন্নয়ন লক্ষ্যে কৃষকদের জন্য পৃথক কৃষক কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এই অনুষ্ঠানটির নাম ছিল ‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’, যেখানে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে সরাসরি কথার আদান-প্রদান হয়। সেখানে বিএনপি প্রধান বলেন, সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সেটিই যখন জনপ্রতিনিধিদের ভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ নির্বাচন করে এবং তাদের জবাবদিহিতা মনিটর করে। তিনি আরও বলেন, শহরের পরিষ্কার-পরিছন্নতা ও উন্নয়ন ঠিকঠাক রাখতে হলে দক্ষ ও কার্যকর গণতান্ত্রিক পদ্ধতি প্রয়োজন।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বোঝাতে তিনি তরুণদের সামনে দলের মূলনীতিসমূহ তুলে ধরেন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য কষায় নিজ পরিকল্পনা খোলাসা করে তিনি বলেন, বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ইচ্ছুক মানুষদের জন্য আধুনিক কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া পিপিপি মডেলে স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব পরিকল্পনা তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে, গভীরভাবে চিন্তা করে তৈরি করেছেন।
এ অনুষ্ঠানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ দলের অন্য পত্রের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তরুণের সঙ্গে এই সরাসরি সংলাপের মাধ্যমে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।





