সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ (৯১) গত রবিবার বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন, এবং শেষ পর্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।
শুক্রবার বিকেলে তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থতার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসকরা তার আশু বা উন্নতির আভাস দিতে পারেননি। রবিবার বিকেলেই তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।
তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক ও সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী, আকসির এম চৌধুরী। তারা জানান, শফিক আহমেদের শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে তার পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্প্রতি।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ পাকিস্তানি আমলের একজন পরিচিত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় তিনি টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। তার আগে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দেশের আইন ও রাজনীতির অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে।





