শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও মুক্তি পেল ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’

বিশ্বখ্যাত হলিউড ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্টার ওয়ারস’-এর নতুন রোমাঞ্চকর অধ্যায় ‘দ্য

ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’ নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তির দিনেই অর্থাৎ আজ শুক্রবার (২২ মে) বাংলাদেশের স্টার

সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। ডিজনির স্টার ওয়ারস ইউনিভার্স এবং অত্যন্ত

জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান’-এর পটভূমির ওপর ভিত্তি করে এটি নির্মাণ করেছেন

পরিচালক জন ফাভরো। সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে বরাবরের মতোই অভিনয় করেছেন পেড্রো

প্যাসকাল এবং তাঁর সাথে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে জেরেমি অ্যালেন হোয়াইট ও

সিগুর্নি ওয়েভারকে।

এবারের গল্পের প্রেক্ষাপট আবর্তিত হয়েছে নিউ রিপাবলিকের এক অস্থির সময়কে কেন্দ্র

করে। সাম্রাজ্য ধ্বংস হওয়ার পরেও ছদ্মবেশে থাকা ইম্পেরিয়াল অবশিষ্ট বাহিনী এবং হাট

কার্টেলের গোপন ষড়যন্ত্র রুখতে ডিন জারিন ও তাঁর ছোট সঙ্গী গ্রোগু এক নতুন অভিযানে

নামে। ষড়যন্ত্রকারীরা জাব্বা দ্য হাটের ছেলে রোট্টাকে অপহরণ করে গ্যালাক্সিতে

অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে। ম্যান্ডো ও গ্রোগু প্রথমে এটিকে সাধারণ একটি উদ্ধার

মিশন ভাবলেও পরবর্তীতে আবিষ্কৃত হয় যে ইম্পেরিয়াল বিজ্ঞানীরা পুনরায় গ্রোগুর ফোর্স

ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সংবেদনশীল ক্লোন সেনাবাহিনী তৈরির পরিকল্পনা করছে।

সিনেমাটিতে গ্রোগুর অসামান্য শক্তিকে নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে সে

নিজের ফোর্স ক্ষমতা ব্যবহার করে শুধু শত্রুদের প্রতিহতই করে না বরং ম্যান্ডোর জীবন

রক্ষায়ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তবে পুরো সিনেমার মূল আবেগীয় স্তম্ভ হলো ম্যান্ডো

ও গ্রোগুর মধ্যকার সেই চিরচেনা ও গভীর ‘বাবা-ছেলের’ সম্পর্ক। আইম্যাক্স স্কেলের

অত্যাধুনিক ভিজুয়াল ও শ্বাসরুদ্ধকর অ্যাকশন দৃশ্যের সমন্বয়ে সিনেমাটি এক নতুন

মাত্রা যোগ করেছে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

থাকলেও ম্যান্ডো ও গ্রোগুর রসায়ন বড় পর্দায় দেখার জন্য দর্শকদের ভিড় বাড়ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন