, ,

৪২ বছর পর ফিরছে ‘সুপারগার্ল’

দীর্ঘ ৪২ বছর পর আবারও রূপালি পর্দায় বড় পরিসরে ফিরছে ডিসি ইউনিভার্সের অন্যতম

জনপ্রিয় নারী সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই

ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হলেও, এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপ ও

গল্প নিয়ে বড় পর্দায় আসছে এই চরিত্রটি। আগামী ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই

বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে ডিসি ভক্তদের বহুল

প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি।

হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘আই, টনিয়া’ ও ‘ক্রুয়েলা’ খ্যাত পরিচালক ক্রেইগ গিলেস্পির

পরিচালনায় এবারের চলচ্চিত্রে সুপারগার্ল বা ‘কারা জোর-এল’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন

মিলি অ্যালকক। ‘হাউস অব দ্য ড্রাগন’ সিরিজের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পাওয়া এই

অভিনেত্রী ২০২৫ সালের ‘সুপারম্যান’ সিনেমায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিতেই

দর্শকদের দারুণ নজর কেড়েছিলেন। এই নতুন সিনেমায় মিলি অ্যালকক ছাড়াও বিভিন্ন

গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া, ম্যাথিয়াস শোনার্টস এবং ডেভিড

কোরেনসওয়েটের মতো একঝাঁক তারকা।

এবারের চলচ্চিত্রের গল্পে সুপারগার্লকে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সে পৃথিবীতে রাজকীয়ভাবে বড় হওয়া সুপারম্যানের মতো সুখী বা শান্ত স্বভাবের নয়; বরং

নিজের ধ্বংসপ্রাপ্ত গ্রহ ‘ক্রিপ্টন’-এ প্রিয়জন ও আপনজনদের হারিয়ে সে অনেক বেশি

কঠোর, লড়াকু ও বাস্তববাদী। নিজের প্রিয় কুকুর ‘ক্রিপ্টো’কে সঙ্গে নিয়ে মহাকাশ

ভ্রমণের সময় ‘রুথি’ নামের এক অনাথ কিশোরীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর এক ভয়ংকর দস্যু

নেতার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের খোঁজে এক বিপজ্জনক আন্তঃগ্যালাক্টিক

অভিযানে নেমে পড়ে তারা।

সিনেমাটির অন্যতম বড় আকর্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা জেসন মোমোয়ার

‘লোবো’ চরিত্রের লাইভ-অ্যাকশন অভিষেককে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সিনেমাটির

পরিণত, বাস্তবসম্মত ও অন্ধকার আবহ নিয়ে দর্শকদের মাঝে তুমুল আলোচনা ও কৌতূহল চলছে।

চলচ্চিত্র সমালোচকেরা এই সিনেমার ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও অ্যাকশন দৃশ্যগুলোকে হলিউডের

কালজয়ী সিনেমা ‘ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন, যা সিনেমাটির

প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

হলিউড সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন ডিসি সিনেমাটিক ইউনিভার্স নতুনভাবে ঢেলে গঠনে এবং

সুপারগার্লকে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠা করতে

এই সিনেমাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ চার দশক পর বড় পর্দায় এই

নারী সুপারহিরোর প্রত্যাবর্তন আন্তর্জাতিক বক্স অফিসের পাশাপাশি বাংলাদেশের

দর্শকদের মাঝেও নতুন উন্মাদনার সৃষ্টি করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন