, ,

সূচকের উল্লম্ফন ও রেকর্ড লেনদেনে পুঁজিবাজারে চাঙাভাব

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে

(ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনেও বড় ধরণের

উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। এদিন বাজারটিতে বিগত প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ

পরিমাণ অর্থ হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকায়

দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার

৮৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই-৩০

সূচকটি ২২ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রবিবার ডিএসইতে মোট ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার

ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের ১১ আগস্টের পর একদিনে সর্বোচ্চ লেনদেনের

রেকর্ড। এদিন ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন বা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দেওয়া ১৪৭টি

প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার বিপরীতে মাত্র ৪১টির দাম কমেছে। তবে

লভ্যাংশ না দেওয়া ‘জেড’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে বিপরীত চিত্র দেখা

গেছে; এই খাতের ৭৬টি প্রতিষ্ঠানেরই দরপতন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের

শেয়ারের দাম বাড়লেও ১৫৬টি প্রতিষ্ঠানের দর হ্রাস পেয়েছে এবং ৩৭টির দাম অপরিবর্তিত

ছিল। মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর ক্ষেত্রেও এদিন ব্যাপক ইতিবাচক গতি লক্ষ্য করা গেছে।

টাকার অঙ্কে লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করেছে লাভেলো আইসক্রিম, যার প্রায় ৭০ কোটি

টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। তালিকায় এরপরই ছিল বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও মালেক

স্পিনিং। এছাড়া ইস্টার্ন হাউজিং, আইটি কনসালটেন্টস ও জেনেক্স ইনফোসিসের মতো

প্রতিষ্ঠানগুলোও লেনদেনে সক্রিয় ছিল। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)

সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায়

উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। সিএসইতে ১৫৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বাড়লেও লেনদেন হয়েছে

মাত্র ১০ কোটি ১১ লাখ টাকা। মূলত বড় মূলধনী ও ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারের প্রতি

বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজার দীর্ঘ সময় পর এমন ইতিবাচক মোড় নিয়েছে বলে

মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পোস্টটি শেয়ার করুন