সুন্দরবন আমাদের জন্য একটি অক্সিজেন ব্যাংক। এই বন আমাদের অস্তিত্বের সাথে
সম্পৃক্ত। সে কারণে খুলনাবাসীসহ সারা দেশের মানুষের এ বনকে, এ বনের জীববৈচিত্র্যকে
রক্ষা করতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল
ইসলাম মঞ্জু শুক্রবার (২২ মে) সকালে নগরীর সিএসএস আভা সেন্টারে সুন্দরবন সামিট-২০২৬
এর ‘সহনশীল সুন্দরবন: যুবসমাজ, জলবায়ু ও উপকূলীয় ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের
জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ গবেষণা কেন্দ্র (সিথ্রিইআর), মিশন গ্রিন বাংলাদেশ
(এমজিবি) এবং স্বপ্নপুরী কল্যাণ সংস্থা যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে।
প্রশাসক বিভিন্ন দেশের বন সংরক্ষণে গৃহীত কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘এটি
আমাদের জন্য খুব লজ্জার যে আমরা আমাদের সম্পদ রক্ষার চেষ্টা করি না।’ সুন্দরবন
রক্ষায় তিনি সুন্দরবন বোর্ড গঠনের পাশাপাশি এই বনের মধ্য দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধ
করা, সন্দুরবনকেন্দ্রিক বাণিজ্য বন্ধেসংলগ্ন অধিবাসীদের জন্য বিকল্প পেশার ব্যবস্থা
করাসহ বন সংরক্ষণ আইনের কঠোর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাতের সভাপতিত্বে সংলাপে বিশেষ
অতিথির বক্তব্য দেন খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. মনজুরুল কিবরিয়া, ওয়াটারকিপার্সের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর
শরীফ জামিল, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর
মোখলেসুর রহমান, ডিএসকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. দিবালোক সিংহা, ফ্রেন্ডশিপের
সিনিয়র ডিরেক্টর কাজী এমদাদুল হক, নবপল্লবের চিফ অব পাটি মিস সেলিনা শেলি খান,
সাজেদা ফাউন্ডেশনের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর শামিরা মোস্তফা। স্বাগত বক্তৃতা করেন
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিথ্রিইআর প্রকল্পের উপপরিচালক রউফা খানম ও মিশন গ্রিন
বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেয়ারের মানবিক
ও স্থিতিস্থাপক ফিউচারস প্রোগ্রামের উপপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দাস ও সাজেদা ফাউন্ডেশনের
প্রধান গবেষক নুরুল ইসলাম বিপ্লব। সংলাপে যুব জলবায়ু নেতা, কমিউনিটি প্রতিনিধি,
সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক ও শিক্ষাবিদ, এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগী, সিএসআর প্রতিনিধি,
গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাজীবীসহ প্রায় ২৫০ জন প্রতিনিধি অংগ্রহণ করেন।





